জাকির আলী :: সংবাদ প্রবাহ :: বলাগড় :: রবিবার ৩০,আগস্ট :: বর্ষায় গঙ্গার ভাঙন ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে বলাগড়ে। ভিটেমাটি, জমি সব চলে গিয়েছে নদীগর্ভে। কয়েক মাস আগে তৈরি হওয়া নতুন পিচের রাস্তাও তলিয়েছে নদীর জলে।
যে কোনও সময় সেই গঙ্গার জল রাস্তা পেরিয়ে ঢুকে পড়তে পারে বাড়ির উঠোনে। আতঙ্কে দিন কাটছে গ্রামবাসীদের। তাঁদের দাবি একটাই, শুধু রাজনৈতিক বদল নয়, এ বার চাই গঙ্গার ভাঙন থেকে স্থায়ী মুক্তি।
একসময় এখানে রানিনগর, দুর্লভপুর ও গৌরনগর এই তিনটি মৌজা ছিল। তার মধ্যে গৌরনগর মৌজা এখন পুরোপুরি গঙ্গার গর্ভে। বর্তমানে টিকে আছে দুর্লভপুর এবং রানিনগরের কিছু অংশ।
আগে দেড় থেকে দুই হাজার মানুষের বসতি থাকলেও এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩০০-র সামান্য কিছু বেশি সংখ্যক পরিবারে। জীবিকা হারিয়ে অনেকে এখন দিনমজুর বা খেতমজুরের কাজ করছেন।
এ বিষয়ে বলাগড়ের বিধায়ক তথা মন্ত্রী সুমনা সরকার বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন গুপ্তিপাড়া থেকে হাওড়ার উলুবেড়িয়া পর্যন্ত পুরো প্রকল্প রেডি করা হয়েছে। তাতে ৪০০ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ করা যেতে পারে। কিছু প্রসিডিউর বাকি আছে। গঙ্গার ভাঙন থেকে আমরা খুব শীঘ্রই মানুষকে মুক্তি দিতে পারব।’

