নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: মালদহ :: বুধবার ৮,জুলাই :: শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে ধর্ষকদের কোর্টে পাঠাব না, সকালে জমা নেব, বিকেলে খরচ করব।” বারুইপুর কাণ্ডে কার্যত তাই-ই হল।
গ্রেপ্তারের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই যোগীরাজ্যের ধাঁচে এনকাউন্টারে খতম মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল। পুলিশের দাবি, আত্মরক্ষায় গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছিলেন অফিসাররা। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঠিক কী ঘটেছিল বারুইপুরের সূর্যপুরে? অপারেশনে ছিলেন কোন অফিসাররা? কোন পরিস্থিতিতে চালান গুলি?

সিটের সদস্য রনি সরকার
মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ধৃতদের। রাতে ঘড়ির কাঁটায় পৌনে ১ টা নাগাদ প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুরে অর্থাৎ অকুস্থলে যান সিটের সদস্যরা। নিয়ম অনুযায়ী ধৃতদের জেরায় বলা বক্তব্যের সঙ্গে পুর্ননির্মাণের তথ্য মিলিয়ে দেখতে হয়।
সেই সময়ই শুরু হয় পুনর্নিমাণের কাজ। জানা যাচ্ছে, আচমকা সিটের সদস্য রনি সরকারের কোমরে থাকা পিস্তল কেড়ে নেয় প্রভাস। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই এক রাউন্ড গুলি চালায় সে। বিপদ বুঝে এরপরই আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান বারুইপুর থানার গুন্ডাদমন শাখার দায়িত্বে থাকা অর্ঘ্য মণ্ডল। তাতেই খতম প্রভাস।
পরের ঘটনা আপনাদের সবারই জানা । এরপর গোটা রাজ্য জুড়ে তোলপাড় হয় আম জনতা । এই খবর নিয়ে নানা রকম খবরের প্রচার শুরু হয়ে যায় নেট দুনিয়ায় । আগামী কালের সংবাদপত্র গুলি কি লেখে তাই নিয়ে নজর সবার । মুখ্যমন্ত্রী তাঁর কথা রেখেছেন প্রাথমিক ভাবে ।
অসমর্থিত সূত্রের খবর বিভিন্ন থানার অফিসারদের থেকে খুব বেছে এই দুই দাবাং অফিসারকে নাকি নির্বাচন করেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং |

