বিজেপির দলীয় বৈঠকে হঠাৎ তৃনমূলের হামলার অভিযোগ উত্তেজনা মারপিট

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: মেমারি :: শনিবার ২৩,মে :: রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর শান্তি বজায় রাখার বার্তা দিয়েছিলেন রাজ্য সভাপতি শ্রমিক ভট্টাচার্য। তাঁর নির্দেশ ছিল, কোনওরকম অশান্তি নয়—শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে “সোনার বাংলা” গড়ে তুলতে হবে।

তবে সেই নির্দেশের পরেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও মারধরের অভিযোগ সামনে আসছে।  শুক্রবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চাকতিপাড়ায় বিজেপির একটি দলীয় বৈঠক চলছিল।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সেখানে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন কর্মী উপস্থিত ছিলেন এবং নিজেদের মধ্যে সাংগঠনিক আলোচনা চলছিল।অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই বৈঠকের মধ্যে ঢুকে পড়ে কয়েকজন তৃনমূলের দুষ্কৃতী এবং শুরু হয় বচসা। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং শুরু হয় মারধর। ঘটনায় আহত হন বিজেপির একাধিক কর্মী।

বিজেপির রাজ্য কমিটির এক্সিকিউটিভ মেম্বার কেকা সরকার অভিযোগ করে বলেন,“আমরা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করছিলাম। হঠাৎ একজনের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু হয়। এরপর দু’-তিনজন ভিতরে ঢুকে পড়ে এবং আচমকাই মারধর শুরু করে।

তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা প্রথমে গলা টিপে ধরে, তারপর মারধর করে। আমাকেও ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়।” ঘটনার খবর পেয়ে অন্যান্য বিজেপি কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে মেমারি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মেমারির বিধায়ক মানব গুহ তাঁর ফেসবুক পোস্টে কড়া বার্তা দেন। তিনি লেখেন, “মেমারিতে গান্ধীগিরি শেষ, আজ থেকে যোগীগিরি শুরু। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলায় কাউকে ছাড়া হবে না।”

তৃনমূলের দাবি বিজেপির গোষ্ঠি কোন্দলের জেরে ২গোষ্ঠির মধ্যে মারামারি হয়েছে,অহেতুক তৃণমূল কংগ্রেসের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনায় ইতিমধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে এক ব্যক্তি জানান, “ওরা মোট ছয়জন ছিল। তার মধ্যে চারজন সরাসরি মারধরে অংশ নেয়। আমাদের ৬ থেকে ৭ জন আহত হয়েছি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nine + 20 =