হঠাত কেন অভিষেকের শান্তিনিকেতন এ পুলিশ – কিসের তদন্তে পুলিশের আধিকারিকরা

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: সোমবার ২৫,মে :: তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ আচমকাই পুলিশের প্রবেশ ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দুপুর নাগাদ বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী ওই বাসভবনে পৌঁছান। তাঁদের মধ্যে কেউ ছিলেন সাধারণ পোশাকে, কেউ বা সাদা পোশাকে।

সোমবার বিকেলে অভিষেকের হরিশ মুখার্জি ঠিকানায় পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি টিম। একটি কালো গাড়িতে এসে বাড়িতে ঢুকে যান দুই আধিকারিক। বেআইনি নির্মাণ ঘিরে বিতর্কের মাঝেই শান্তিনিকেতনে পুলিশ আধিকারিকদের সারপ্রাইজ ভিজিট নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়।কিছুক্ষণ পর আধিকারিকরা বেরনোর সময় দেখা যায়, তাঁদের হাতে একটি মনিটর ছিল। কী কারণে অভিষেকের বাড়ি থেকে মনিটর নিয়ে বেরোলেন তাঁরা ? যদিও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে কোনও জবাব দেননি আধিকারিকরা।

সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস কোম্পানির নামেই রেজিস্টার্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন। তৃণমূল শাসনকালে থাকাকালীনই একাধিক দুর্নীতির তদন্তে এই কোম্পানির নাম বারবার উঠে এসেছে বিতর্কের কেন্দ্রে।

বেআইনি নির্মাণের জবাব দিতে সোমবার কলকাতা পুরসভার ‘ডেডলাইন’ নোটিস দেওয়ার পরেই আচমকা শান্তিনিকেতনে কলকাতা পুলিশ পৌঁছতেই একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সঙ্গে জড়িত বিষয়েই নতুন করে কলকাতা পুলিশের নজরে শান্তিনিকেতন? নাকি বেআইনি নির্মাণ নোটিসের মাঝে নিরাপত্তার সংক্রান্ত কারণে আচমকা অভিষেকের ‘দুয়ারে’ পুলিশ?

প্রসঙ্গত, তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তার স্বার্থেই কলকাতা পুলিশের তরফে লাগানো হয়েছিল সিসিটিভি ও একাধিক মনিটর।

সূত্রের খবর, অভিষেকের বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙার নোটিসের মাঝেই সেই সিসিটিভি ও মনিটরগুলি নিয়ে কলকাতা পুলিশের নিরাপত্তা দপ্তরে শুরু হয়েছে আলোচনা। পুরসভার নোটিসের জবাবদিহি না করলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে, তা নিয়েও প্রশাসনিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

twelve − five =