নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: আলিপুরদুয়ার :: বুধবার ২৭,মে :: রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক থেকে একাধিকবার করা হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন গ্রামীণ রাস্তায় কোনভাবে ভারী যানবাহন চলাচল করা যাবে না।
বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া নির্দেশিকার মাধ্যমে প্রশাসনের তৎপরতা বেড়েছে বিভিন্ন জেলায় জেলায়। তবে উত্তরের ডুয়ার্সের আলিপুরদুয়ার জেলার হরিপুর গ্রামের ধরা পড়লো এক বিরল দৃশ্য।
কোন পুলিশ প্রশাসন কিংবা নাকা চেকিং নয়, গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারাই কোলে শিশুসহ মহিলারা শয়ে শয়ে পাথর বোঝাই ডাম্পার আটকে দিলেন। কোনভাবেই গ্রামীণ রাস্তা হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে না পাথর বোঝাই এই গাড়িগুলি। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বীরপাড়া থানার পুলিশ।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ শুনে রীতিমতো সমস্ত গাড়িগুলিকে ঘুরিয়ে তাদের জায়গাতেই নিয়ে যাওয়া হয় পুলিশের তরফে।
ডাম্পার চালকদের সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, পার্শ্ববর্তী দেশ ভুটান সমস্ত রকমের বৈধ কাগজপত্র নিয়ে বালি পাথর বোঝাই ডাম্পার গুলি আলিপুরদুয়ার জেলার বীরপাড়া সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
এর আগে নদীপথে এই ডাম্পার গুলি চলাচল করতো। পাশাপাশি বীরপাড়া পুলিশ ও ট্রাফিকের তরফে মূল সড়ক দিয়ে ভারী যান চলাচল একেবারে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এক রূপ বাধ্য হয়ে সরকারি কাগজপত্র নিয়েই এই ডাম্পার গুলি গ্রামীণ পথ ধরে চলাচল করতেই গ্রামবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার। এই গ্রামীন রাস্তায় রয়েছে স্কুল।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একের পর এক বড় বড় ডাম্পার এই রাস্তায় চলাচল করায় একদিকে দীর্ঘ যানজট অন্যদিকে কচিকাঁচা থেকে বয়স্ক প্রত্যেকের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে। আজ বাধ্য হয়ে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে গ্রামীণপথে কোন ভাবেই এই যান চলাচল করতে দেবে না বলে হুঁশিয়ারি।
পরবর্তীতে বীরপাড়া থানার পুলিশের সঙ্গে ডাম্পার চালক ও গ্রামবাসীদের আলোচনার মাধ্যমে এদিনের মতো সাময়িক সমস্যার সমাধান করা হয় ।

