নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: দুর্গাপুর :: বৃহস্পতিবার ২৮,মে :: দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর তানসেন এলাকায় বুধবার গভীর রাতে রাজনৈতিক উত্তেজনার ঘটনা সামনে আসে। অভিযোগ, গোপন বৈঠকের উদ্দেশ্যে সেখানে তৃণমূলের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাজীব ঘোষ কে ঘিরে ধরেন বিজেপি কর্মীরা।
পরে দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। বিজেপির স্বর্ণেন্দু হালদার জেলা যুব মোর্চার ভাইস প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেন , রাজীব ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাস, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বিরোধী কর্মীদের হুমকি এবং টাকা তোলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
তাঁদের দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বহু বিজেপি সমর্থক আক্রান্ত ও ঘরছাড়া হন এবং সেই ঘটনাগুলিতে তাঁর নাম উঠে এসেছে।
তিনি বলেন রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর রাজিব ঘোষ নিজের পিঠ বাঁচাতে বিজেপির দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভার কনভেনার সন্তোষ মুখার্জির সঙ্গে যোগাযোগ করতে এলে,
সন্তোষ বাবু দলের নেতাকর্মীদের খবর দেয় যে রাজীব ঘোষ তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছি কি করা উচিত?
স্বর্ণেন্দু বাবু বলেন যারা ২০২১ সালে বিজেপি কর্মী সমর্থক ও নেতাদের খরছাড়া করেছিল অত্যাচার করেছিল মহিলাদের শ্রীলতাহানি করেছিল তাদের কোনভাবেই ছাড় নেই এবং তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন থানায় অভিযোগ ও জমা পড়ছে।
তিনি বলেন আমরা বিজেপি দল করি মারদাঙ্গায় বিশ্বাস করি না সে কারণেই যে রাজীব ঘোষের জন্য ২০২১ সালে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা অত্যাচারিত হয়েছিল দুর্গাপুর থানার পুলিশকে খবর দিয়ে পুলিশের হাতে তাকে তুলে দেওয়া হল তার বিরুদ্ধে ২০২১ এর সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে।
বিজেপির তরফে পরিষ্কার বলা হয়েছে তৃণমূলের কোন দোষ নেতা-নেত্রীকে বিজেপিতে নেওয়া হবে না। আর যারা ২০২১ এ সন্ত্রাস করেছিল তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হচ্ছে। একের পর এক গ্রেপ্তার হচ্ছেন তারা।
স্বর্ণেন্দু বাবু বলেন রাজীব ঘোষের যে সকল সঙ্গে ২০২১ এ সন্ত্রাসে সাথ দিয়েছিল তাদেরও তারা জেল হেফাজতে দেখতে চান। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

