বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ চত্বরে হোষ্টেল গুলোতে গেরুয়া রঙ, নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: বর্ধমান :: শুক্রবার ১৯,জুন :: পূর্ব বর্ধমানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে থাকা একাধিক হোষ্টেল গুলোতে রং পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের আবহ তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে নীল-সাদা রঙের প্রাধান্য দেখা গেলেও, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের একাধিক হোষ্টেল গুলোতে সংস্কার ও রং করার কাজ চলাকালীন বেশ কয়েকটি হোষ্টেলে গেরুয়া বা কমলা আভাযুক্ত রং ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিশেষ করে গোলাপবাগ এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলগুলোতে বাহ্যিক অংশে গেরুয়া রঙের ব্যবহার স্পষ্টভাবে নজরে আসায় বিষয়টি নিয়ে ছাত্র-শিক্ষক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমেও এই রং পরিবর্তনের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে এবং তা ঘিরে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া সামনে আসছে।

একাংশের মতে, এটি শুধুমাত্র সৌন্দর্যায়ন ও পরিকাঠামোগত সংস্কারের অংশ। ভবনগুলিকে নতুন রূপ দেওয়ার জন্য প্রশাসন রঙের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, তারই ফলস্বরূপ এই পরিবর্তন। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ এই ঘটনাকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করতে শুরু করেছেন।

তাঁদের দাবি, সরকারি প্রতিষ্ঠানে গেরুয়া রঙের ব্যবহারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এই বিতর্কের আবহে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপিও। বিজেপির মুখপাত্র ডক্টর শান্তরূপ দে বলেন, “বিজেপি বা আমাদের ভাবধারার কোনও ব্যক্তি কোথাও গেরুয়া রং করে দেওয়ার নির্দেশ দেননি।

তথাকথিত ভাবে বিজেপিকরণের নামে কেউ যদি কোনও প্রতিষ্ঠানের রং পরিবর্তন করে থাকেন, তার সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপি সরকার কিংবা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফেও এ ধরনের কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। শুধু রং পরিবর্তন করলেই বিজেপিকরণ হয় না। তার জন্য আদর্শগত ও চারিত্রিক পরিবর্তনও প্রয়োজন।”

আমরা আরেকটি বিষয় খুব স্পষ্ট ভাবে খেয়াল করছি বাংলাদেশের বর্ডার অঞ্চল গুলোতে যেখানে জামাত ই ইসলাম জিতেছে তার ঠিক বিপরীতেই ভারতীয় বর্ডার অঞ্চলে হয় তৃণমূল জিতেছে আর নাহলে ভালো ভোট পেয়েছে । তাহলে এখানে অনুপ্রবেশকারী জিহাদী মুসলমানরাই কি এই ভোটের খেলার আসল কারিগর ?

তারা হয়ত ভোটের সময় বর্ডার পেরিয়ে দুই দেশেই ভোট দেয় । কিন্তু বর্তমান বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও ভারত সরকারের যৌথ উদ্যোগে বর্ডারে কাঁটা তারের বেড়া দেওয়া হলে যেহেতু জিহাদী সন্ত্রাসবাদীরা আর এই দেশে আসতে পারবেনা সেটা ভেবেই মমতা এত উগ্র দেশবিরোধীতায় নেমেছে ।

আমরা চাই এই সমস্ত ঘটনা মাথায় রেখে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং সর্বোপরি নরেন্দ্র মোদিজীর নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার যেন একজন জিহাদী সন্ত্রাসবাদী হিসেবে বিচার করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেয় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × 2 =