নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: শান্তিপুর :: বুধবার ০১,জুলাই :: ২০২৬ এ বিধানসভা নির্বাচনের পর দেখা গেছে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসে বিজেপি। ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের পতন ঘটেছে। এরপরই দেখা গেছে তৃণমূলের দল একেবারে ভেঙে পড়েছে।
সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে তৃণমূল। একাধিক নেতা মন্ত্রীরা বিভিন্ন দুর্নীতির দায়ে জেলে যাচ্ছে। কখনো তৃণমূল নেতাদের মাজায় দড়ি পড়ানো হচ্ছে কখনো বা ডিম ছোড়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ঘরবন্দী হয়ে রয়েছে অনেক তৃণমূল নেতারা তারা বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না।
চরম সমস্যায় পড়েছে তৃণমূলের সাধারণ কর্মীরা। আগামী দিনে তারা কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এবার শান্তিপুরে দেখা গেল তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নিলেন একদল যুবক।
তারা আগে কংগ্রেস করতেন কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করার পর তারা তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। এবার তারা আবারো কংগ্রেসের ফিরে গেলেন। আগাগোড়া শান্তিপুর কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।
প্রয়াত নেতা অজয় দের হাত ধরে এখানে দীর্ঘদিন কংগ্রেস ক্ষমতায় বসেছিল। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে তৃণমূল পতন হওয়ার পরই দেখা গেল আবারও কংগ্রেস ধীরে ধীরে তাদের মাটি পুনরুদ্ধার করার প্রক্রিয়া শুরু করল।
এ বিষয়ে কংগ্রেসের যোগদান করে গোবিন্দ ব্যানার্জি বলেন, আমরা আগে কংগ্রেস করতাম কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে এবং আমাদের প্রাক্তন বিধায়ক অজয়দের হাত ধরে আমরা তৃণমূলে এসেছিলাম। কিন্তু এখন বিজেপি অত্যাচার করছে। তাদের অত্যাচারে বাড়ি টেকা যাচ্ছে না।
আর এদিকে নিরাপত্তা দেওয়ার শক্তি হারিয়েছে তৃণমূল। সেই কারণে আমরা সাধারণ কর্মীরা আবারো আমাদের পূর্বের দল কংগ্রেসের ফিরে এলাম। কংগ্রেস নেতা অলোক চ্যাটার্জি বলেন, এটা আমাদের সবেমাত্র শুরু হলো প্রচুর সংখ্যক মানুষ যোগাযোগ করছে।
হয়তো এই যোগদান কর্মসূচি বড় করে করা উচিত ছিল আমাদের। আগামী দিনের আরো বড় যোগদান কর্মসূচি রয়েছে সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করানো হবে। আমাদের দল সকলের জন্য খোলা রয়েছে সকল সাধারণ কর্মীরা আমাদের দলে যোগদান করতে পারেন কোন বাধা নেই।

