রাজ্যের পাশাপাশি চুঁচুড়া পৌরসভায় চলল সার্টিফিকেট যাচাই অভিযান।

জাকির আলী :: সংবাদ প্রবাহ :: চুঁচুড়া :: শুক্রবার ২৪,জুলাই :: পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পৌরসভায় সংরক্ষিত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত নথিপত্রের বর্তমান অবস্থা, সংরক্ষণকাল এবং প্রামাণিকতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে একটি ব্যাপক পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধানমূলক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কার্যক্রমের আওতায় রাজ্যের প্রতিটি পৌরসভায় জন্ম ও মৃত্যু রেকর্ডের সংরক্ষণব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের অবস্থান, পরিমাণ, সংরক্ষণকাল ও ধারাবাহিকতা নির্ধারণ করা হবে।

সমগ্র প্রক্রিয়াটি যথাসম্ভব ভিডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে নথিভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো তথ্যগত বিতর্ক বা প্রশাসনিক জটিলতার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ হিসেবে তা ব্যবহার করা যায়।

গোটা রাজ্যের মতো জন্ম মৃত্যু সার্টিফিকেট যাচাই এর পুলিশি অভিযান এর ঢেউ আছড়ে পড়ল হুগলিতেও।  সারা রাজ্যের পাশাপাশি হুগলি জেলার হুগলি চুঁচুড়া পৌরসভায় চলছে চুঁচুড়া থানার পুলিশের তল্লাশি অভিযান।

আজ সকালে চুঁচুড়া থানার পুলিশের একটি টিম এসে পৌরসভায় স্বাস্থ্য দপ্তরের রেকর্ড রুমে যান এবং জন্ম মৃত্যু সার্টিফিকেট নথি যাচাই করে।

অর্থবর্ষ অনুযায়ী রেজিস্টার খাতা ধরে সারাদিন ব্যাপী পুলিসের টিম নথি যাচাই কর্মকাণ্ড চালায়। রেকর্ড রুমে দীর্ঘ বছরের জন্ম মৃত্যু সার্টিফিকেট এর নথি যাচাই এর কাজ আদৌ কবে শেষ হবে তার যথাযথ উত্তর পুলিশ এবং পুরসভার তরফে জানানো হয়নি।

এই অনুসন্ধানের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি পৌরসভার নিকট সংরক্ষিত জন্ম ও মৃত্যু রেকর্ড কোন সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে উপলব্ধ রয়েছে, সেই বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা বা রেকর্ড-সীমা নির্ধারণ করা।

উদাহরণ স্বরূপ, যদি কোনো পৌরসভার সংরক্ষিত জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন রেকর্ড ১৯৬৫ সাল থেকে শুরু হয়ে থাকে এবং তার পূর্ববর্তী কোনো নথি সেখানে সংরক্ষিত না থাকে, তবে সেই পৌরসভার রেকর্ডের আনুষ্ঠানিক প্রারম্ভিক সাল হিসেবে ১৯৬৫ সালকেই গণ্য করা হবে।

সেক্ষেত্রে পরবর্তীকালে উক্ত পৌরসভার নামে ১৯৬৫ সালের পূর্ববর্তী, যেমন ১৯৬০ বা ১৯৬১ সালের কোনো জন্ম বা মৃত্যু সনদ উপস্থাপিত হলে তার সত্যতা ও উৎস সম্পর্কে বিশেষ যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

twelve − five =