নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: ঠাকুরনগর :: সোমবার ১৩,জুলাই :: এর আগে গত দেড় বছরে তিনবার ঠাকুরনগর বাজারে আগুন লেগেছিল। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল অনেক। তার উপর গাইঘাটা থানা এলাকায় নেই দমকলের কোনো দপ্তর।
বাধ্য হয়ে খবর দিতে হয় দশ কিলোমিটার দূরের গোবরডাঙা দমকল কিংবা কুড়ি কিলোমিটার দূরের বনগাঁ দমকলের অফিসে। সেখান থেকে দমকলের ইঞ্জিন আসতে আসতে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা মনে রেখে গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুরের প্রস্তাবমতো ঠাকুরনগর ফুলবাজার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে চালু করা হলো অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা।
ফুলবাজার প্রবেশদ্বারে একটি উন্মুক্ত ঘরে থাকছে তিন অগ্নি নির্বাপক সিলিন্ডার, জলের ব্যবস্থা, অনেকগুলি বালতি ভর্তি বালি সহ প্রাথমিক চিকিৎসার বাক্স।
বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর বলেন, রাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম ফুলবাজারের গুরুত্ব সবাই জানেন। বৃহত্তর ঠাকুরনগরের অর্থনীতি ও জিডিপি বৃদ্ধি পেছনে বড় ভূমিকা রয়েছে ফুলবাজারের। আগামীতে একে ঢেলে সাজানোর জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
লজিস্টিক সাপোর্ট থেকে শুরু করে বিদেশে ফুল রপ্তানি ও চাষের সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের সমস্ত মঙ্গলের ব্যাপারে ভেবে দেখা হবে। আঙুন তো বর্ণ রং দেখে না। বিভিন্ন মার্কেটে আগুন নির্বাপনের সঠিক ব্যবস্থা নেই। এরকম সুন্দর ব্যবস্থা করার জন্য কমিটিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবো।
তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে ঠাকুরনগরে জায়গা দেখে ফায়ার ব্রিগেডের ব্যবস্থা করতে বাজেট প্রস্তাবে পাঠানো হয়েছে।
ঠাকুরনগর ফুলবাজার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক পার্থপ্রতিম বিশ্বাস জানান, শুধুমাত্র ফুলবাজারের জন্যই এই অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। প্রয়োজনে এখান থেকে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র নিয়ে ঠাকুরনগরের মানুষ ব্যবহার করতে পারবেন।

