নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: শনিবার ১৩,জুন :: আজ ভোররাতে অভিষেকের কালীঘাটের বাস ভবনে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের দীর্ঘ তল্লাশির পর পুলিশের তৈরি করা ‘সিজার লিস্ট’ বা বাজেয়াপ্ত করা জিনিসের তালিকায় স্পষ্ট লেখা রয়েছে, ‘NIL’। অর্থাৎ বাড়ি থেকে কোনো কিছুই মেলেনি।
এই প্রসঙ্গ টেনেই রাজ্য সভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ লেখেন, “তল্লাশিতে কিচ্ছু মেলেনি । কিচ্ছু না, স্রেফ একটা বিরাট শূন্য!” পদ্ম শিবিরের বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ এবং ‘অপারেশন লোটাস’-এর নোংরা রাজনীতির অভিযোগ তুলে তৃণমূল সাংসদ তীব্র আক্রমণ শানান।
এক্স পোস্টে তিনি লেখেন, “এটা আর কিচ্ছু নয়, স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ভয় দেখানো এবং মানসিক নির্যাতন চালানোর অপচেষ্টা। যারা বিজেপির ফতোয়া বা ডিক্ট্যাট মেনে নিতে অস্বীকার করছে, ‘অপারেশন লোটাস’ বেছে বেছে সেই সমস্ত বিরোধী নেতাদেরই টার্গেট করছে।”
এখানেই শেষ নয়, একজন শীর্ষ সারির বিরোধী নেতার ওপর এই ধরনের আক্রমণকে ‘অত্যন্ত লজ্জাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। এটিকে অত্যন্ত প্রতিহিংসামূলক, চক্রান্তকারী এবং নীচ স্তরের নোংরা কৌশল বলে ধিক্কার জানান সাগরিকা।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনার পর একদিকে যেমন শাসক দল তৃণমূল কোমর বেঁধে ময়দানে নামছে, তেমনই পুলিশি হানার পর সিজার লিস্টে ‘নিল’ বা শূন্য আসায় ব্যাকফুটে যেতে পারে শাসক শিবির।
শনিবার ভোররাতে চরম নাটকীয়তার সাক্ষী থাকল কালীঘাট । তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনে ভোররাতেই একযোগে হাজির হয় শালবনি এবং কলকাতা পুলিশ।
অভিষেকের আপ্ত সহায়ককে খুঁজতে এই আকস্মিক তল্লাশি চালানো হলেও, শেষ পর্যন্ত সন্দেহজনক কোনো প্রমাণ মেলেনি।

