নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: বর্ধমান :: রবিবার ২,আগস্ট :: এক নাবালিকাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগ উঠল তৃণমূল ঘনিষ্ঠ তিনজনের বিরুদ্ধে! ঘটনা পূর্ব বর্ধমান জেলার, শহর বর্ধমানের হাটু দেওয়ানগঞ্জের ক্যানেল বাঁধ এলাকার।
ঘটনার পরই নাবালিকার মা অভিযোগ দায়ের করেন লিখিত আকারে বর্ধমান থানায়। অভিযোগে লেখেন “গত ২৭ ৭ ২০২৬ তারিখ রাত্রি নট নাগাদ যখন আমি বাড়িতে ছিলাম না পাশের বাড়িতে ছিলাম
সেই সময় সিদ্দিকুল্লা মল্লিক, ইলিয়াস মল্লিক, এবং শেখ শাহিদুল আমার বাড়িতে ঢোকে এবং তারা সকলে মিলে মেয়ের মুখ চেপে ধরে
তারপরে মেয়ের পরনের নাইটি ছিড়ে তাকে বিছানায় ফেলে ধর্ষণ করার উদ্দেশ্যে মেয়ের বুকে হাত দেয়। মেয়ের যৌনাঙ্গে হাত দিয়ে জোর জবরদস্তি করতে থাকে পরে মেয়ের চিৎকারে আমি ও আমার স্বামী এবং আশেপাশের লোকজন চলে এলে
পালানোর সময় রিভলভারের বাট দিয়ে আমাকেও আমার স্বামীকে আঘাত করে। পরবর্তী সময়ে বর্ধমানে হাসপাতালে মেয়েকে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাই”। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, ঘটনায় ইলিয়াস মল্লিক গ্রেফতার হলেও সিদ্দিকুল্লাহ মল্লিক ও শেখ সাইদুল এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।
রবিবার নির্যাতিতার বাবা কামাল হোসেনের অভিযোগ, “যারা জঘন্য কাজ করেছে তারা তৃণমূল করত কিন্তু সম্প্রতি বিধানসভা ভোটের ফলাফল বের হতেই তারা দাবি করছে তারা নাকি বিজেপি নেতা। কামাল হোসেন তিনি আরো বলেন আমি বিজেপি করতাম একসময় তবে এখন কোন দল করি না।
কামাল হোসেন আরও বলেন, অভিযোগ তিনজনের নামে হয়েছে একজন গ্রেফতার হলেও বাকি দুইজন এখনো পর্যন্ত দাদাগিরি করে ঘুরে বেড়াচ্ছে! আমরা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছি না বাকি দুজন কেন গ্রেফতার হচ্ছে না।
ইলিয়াস মল্লিক গ্রেপ্তার হয়েছে তার বাড়ি আমার বাড়ি থেকে পাঁচ মিটার দূরে বাকি দুইজন আমাদের পুড়িয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে পুলিশকে বললেও পুলিশ বলছে পরে গ্রেপ্তার করব। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ বাকি দুইজন যেন অতি দ্রুত গ্রেফতার হয়”।
নির্যাতিতার বাবা কামাল হোসেন বলেন, আমার স্ত্রী মন্ডল সভাপতি ছিল বিজেপির। আমি বুথ সভাপতি ছিলাম কিন্তু এখন আমরা আর কোন পার্টি করি না।

