জাকির আলী :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা ব্যুরো :: সোমবার ৮,জুন :: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সশরীরে বৈঠকে যোগ দেওয়া অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পেছনে যে শুভেন্দু অধিকারীর পূর্ণ মদত ও নেতৃত্ব রয়েছে, তা এখন আর গোপন নেই।
একদিকে যখন কলকাতায় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা চালাচ্ছেন, ঠিক তখনই দিল্লির বুকে এই হাই-প্রোফাইল বৈঠক তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর চাপ আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিল। লোকসভা ও রাজ্যসভা— উভয় কক্ষেই দল ভাঙার এই তৎপরতা আগামী দিনে জাতীয় ও রাজ্য রাজনীতিতে কী ধরনের সমীকরণ তৈরি করে, এখন সেটাই দেখার।
পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বিদ্রোহের আগুন এবার আরও তীব্র আকার ধারণ করল। দিল্লিতে ফের এক তাৎপর্যপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। তবে সোমবারের এই বৈঠকের সবচেয়ে বড় চমক ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতি।
বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের দিল্লির সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এই বৈঠককে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে জোর শোরগোল।
ইতিমধ্যেই লোকসভার ১৯ জন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ একজোট হয়ে স্পিকারের কাছে নিজেদের পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এই মর্মে স্পিকারকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
দলত্যাগ বিরোধী আইনের হাত থেকে বাঁচতে এবং নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করতেই এই ১৯ জন সাংসদ এককাট্টা হয়েছেন বলে জানা গেছে। লোকসভায় এই বড়সড় ভাঙনের পর দলের রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।

