নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: মাজদিয়া :: শনিবার ১৮,জুলাই :: নদিয়ার মাজদিয়া শিবনিবাসের এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গ ও মন্দিরের ঐতিহাসক গুরুত্ব কম নয়। ১৭৫৪ সালে তৈরি কষ্টি পাথরের ৯ ফুট উচ্চতা ও ২৬ ফিট বের শিবলিঙ্গ ১২০ ফিট উচ্চ মন্দির স্থাপন করে নদিয়ার রাজা কৃষ্ণ চন্দ্র রায়।
বর্গীদের আক্রমনের ভয়ে পরিবার নিয়ে চূর্ণী নদির ধারে ঘন জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছিল রাজা কৃষ্ণ চন্দ্র। যা আজ শিবনিবাস নামে পরিচিত। বর্গীদের ইস্ট দেবতা মহাদের শিব। রাজার মন্ত্রী সভার নির্দেশে শিব মন্দির প্রতিষ্টা করে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।
এই মন্দির দর্শনে এসেছিলেন,স্বামী বিকেকানন্দ, প্রণবানন্দ মহারাজ, মোহনানন্দ মহারাজ, বালানন্দ স্বামী সহ অনেকে ঋষি মনীষী এসেছেন এই শিবের কাছে।
১৯৬০ সালে মাজদিয়ার এক ভক্ত স্বপ্নাদেশে শ্রাবন মাসের এক সোমবার কয়েকজন মিলে নবদ্বীপ ধাম থেকে গঙ্গা জল নিয়ে সোমবার শিলিঙ্গের মাথায় জল দেওয়া সুরু করে।
সেই থেকে প্রতি বছর ভক্তরা শ্রাবন মাসে সোমবার শিব ভক্তরা শিবনিবাসে ভিড় জমায় শিবের মাথায় জল ঢালার উদ্দেশ্যে। ভক্তদের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পায় দিন কে দিন। বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে ঐতিহাসিক শিবক্ষেত্র এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গে জল ঢালতে।
রাজ্যে পালাবদল হতেই এলাকার সাধারণ মানুষ চাইছে এই এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শুভ লিঙ্গের দিকে বর্তমান নজর দিক সরকার। বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বর্তমান মুখ্য মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই শিবনিবাসে এসে পুজো দিয়েচ্ছিলেন। জল ঢেলেছিলেন বৃহত্তম শুভ লিঙ্গের মাথায়।
তাই শিবনিবাস সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল। তারকেশ্বর মন্দির নিয়ে যে উদ্যোগ বর্তমান সরকার নিয়েছে ঠিক সেভাবেই এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গের প্রতি সরকার দৃষ্টি দিক এটাই চাইছে সাধারণ মানুষ।

