বুধবার দুপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর ব্লকের গঙ্গাসাগর উপকূল থানার অন্তর্গত শ্রীধাম বাসস্ট্যান্ড থেকে গঙ্গাসাগর বাসস্ট্যান্ডের মাঝামাঝি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
গুরুতর জখম অবস্থায় বিজেপি নেতা ত্রিলোকেশ ঢালিকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে।
পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে কাকদ্বীপ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকাল ওই এলাকায় যাওয়ার সময় আচমকাই দুষ্কৃতীরা ত্রিলোকেশ ঢালিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কাকদ্বীপ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় কারা বা কেন গুলি চালাল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
তবে আহত বিজেপি নেতার পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে। ত্রিলোকেশ ঢালির পুত্র ত্রিদীপ ঢালি অভিযোগ করেন, আগে সাগর এলাকায় এই ধরনের দুষ্কৃতীদের দাপট এতটা ছিল না।
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় দুষ্কৃতীদের আনাগোনা এবং দৌরাত্ম্য অনেকটাই বেড়েছে। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
ত্রিদীপ আরও জানান, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর বাবা প্রার্থী হতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছিল। বিজেপির তরফে টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনাও ছিল।
সেই কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি আরও দাবি করেন, তৃণমূলের চক্রান্তেই তাঁর বাবাকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে।

