নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: নরেন্দ্রপুর :: সোমবার ২৭,এপ্রিল :: দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার গড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন একটি আবাসনে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ফ্ল্যাট থেকে এক মহিলার নিথর দেহ উদ্ধার হয়েছে, আর তারপর থেকেই নিখোঁজ তাঁর অধ্যাপক স্বামী।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আবাসনের দ্বিতীয় তলায় স্বামী সৌমিক দাস, স্ত্রী এনাক্ষী দাস এবং তাঁদের ৮ বছরের অসুস্থ ছেলে থাকতেন।
প্রতিবেশীদের সঙ্গে খুব বেশি মেলামেশা ছিল না পরিবারের। প্রায় চার বছর আগে তাঁরা ওই আবাসনে ওঠেন।
সকালে কাজের মহিলা রিঙ্কু অধিকারী ফ্ল্যাটে এসে বারবার ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাননি। আগের দিন রাতেও ফোনে যোগাযোগ করতে পারেননি তিনি। সন্দেহ হওয়ায় এক প্রতিবেশীর কাছ থেকে চাবি নিয়ে দরজা খুলে ভিতরে ঢোকেন।
ঘরে ঢুকে তিনি দেখেন, একদিকে ঘুমিয়ে রয়েছে অসুস্থ শিশু, অন্যদিকে বিছানার উপর মশারির ভিতরে পড়ে রয়েছে এনাক্ষী দাসের নিথর দেহ। তবে স্বামী সৌমিক দাসের কোনও খোঁজ মেলেনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ।
দেহ উদ্ধার করে সোনারপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে দেহ। ঘ
টনার পর থেকেই পলাতক স্বামী সৌমিক দাসের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। ঠিক কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারীরা।

