নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: পানাগড় :: শুক্রবার ৫,জুন :: পানাগড় বায়ু সেনা ঘাঁটির সীমানা থেকে ১০ মিটার দূরে লম্বা পাইপ দিয়ে সিসি টিভি লাগানো। বায়ু সেনার ঘাঁটির ভিতরের গতিবিধির ছবি ক্যামেরা বন্দি করা হচ্ছিল বিগত কয়েক মাস ধরে।
দিন কয়েক আগে বিষয়টি নজরে পড়ে বায়ু সেনা কর্তৃপক্ষের। গোটা বিষয়টি দেখে তারা তা কাঁকসা থানায় জানায়।
সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কাঁকসা থানার পুলিশ ক্যামেরা খুলে নিয়ে যায়। সেই ক্যামেরা পরীক্ষার পর দেখা যায় বায়ু সেনার ভেতর, মূল প্রবেশ দ্বারের ছবি, এই ক্যামেরা ৩৬০ ডিগ্রি রেডিয়াসে ঘোরে।

চিত্র পরিচিতি :: পানাগড়এ এই লম্বা পাইপটি দিয়ে গুপ্তচরেরা নজেদারি চালাত
তদন্তে নেমে পুলিশ এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের মধ্যে একজন এই গ্যারেজের মালিক মুন্না পণ্ডিত। অন্যজন ক্যামেরা ইনস্টল বা বসিয়েছিলেন সেই সন্দীপ দুবেকে গ্রেফতার করেছে। একজনের বাড়ি পানাগড় রেলপাড় ট্যাংকি তলায়। অন্যজন পানাগড় বাজারের বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার ধৃতদেরকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ও গোটা ঘটনার তদন্তে কাঁকসা থানায় আসেন আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশ কমিশনার ডাঃ প্রণব কুমার । তিনি ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
এর পাশাপাশি সিসি টিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখেন। পরে পুলিশ জানায়, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও গোটা বিষয়টি পরিষ্কার হয়নি। দুজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তাদেরকে জেরা করা হচ্ছে। প্রসঙ্গতঃ, এর আগে পানাগড়ের যুবক মুন্না রজককে মেমারি থেকে গ্রেফতার করে এসটিএফ।

মঃ হবিবুল্লাহকে কোর্টে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে
পাকিস্তান যোগের অভিযোগে পাকিস্তানে ওটিপি পাঠাতো এই মুন্না। এর আগে কাঁকসা থেকে মানকর কলেজের ছাত্র মহঃ হাবিবুল্লাকে গ্রেফতার করে এসটিএফ । আনসারুল্লা বাংলার লিংক ম্যান হয়ে কাজ করতো এই হাবিবুল্লা।
এলাকার দুই বাসিন্দা মহঃ শামিম ও আব্দুল হাবিব বলেন, বুধবার পুলিশ এসে গ্যারাজ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা খুলে নিয়ে যায়।

