প্রশাসনের উপর ভরসা নেই তাই এবার আইন নিজেদের হাতে নিলো বিজেপি কর্মীরা – ভাঙচুর তৃণমূল নেতার বাড়ি

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কাঁকসা :: মঙ্গলবার ৩০,জুন :: রাজ্যে বিজেপির সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়।একের পর এক তৃণমূল নেতার নামে থানায় অভিযোগ জানানোর পর তাদের গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করে পুলিশ।

এমনকি আইন হাতে নিয়ে থানা হোক বা আদালত সর্বত্র বিজেপি কর্মীদের দ্বারা দেখা যাচ্ছে তৃণমূল নেতাদের উপর ডিম থেরাপি।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যতই আইন নিজের হাতে নেওয়ার কথা বারণ করলেও নিচু তলার ও হটাৎ নির্বাচনের ফলাফল অর্থাৎ ৪তারিখের পর গেরুয়া আবির মেখে নেওয়া বিজেপি সমর্থকরা তা মানছেন না।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি গোপালপুরেও দেখা গেলো সেই ছবি।গত ৪তারিখে ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরই কাঁকসা থানায় বিজেপির পক্ষ থেকে কাঁকসার গোপালপুরের দাপুটে তৃণমূল নেতা রমেন মন্ডলের নামে নানান অভিযোগ জানায়।

সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কাঁকসা থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ করলেও আদালতের বিচারক তাকে জামিনে মুক্তি দেয়।এখানেই ক্ষোভ বাড়ে বিজেপি কর্মীদের।তাদের অভিযোগ কাঁকসা থানার পুলিশ তার বিচারের ব্যবস্থা করতে পারে নি।

তাই সে জামিনে মুক্ত হয়।অন্যদিকে আদালতের বিচারেও কর্মীরা খুশি নয়।তাই এবার আইন নিজেদের হাতে নিয়ে তার শাস্তি দিতে চায় গোপালপুরের বিজেপি কর্মীরা।

সেইমত রমেন মন্ডলের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ গুলিকে নিয়ে গোটা এলাকা জুড়ে পোস্টার দেওয়ার পাশাপাশি কাঁকসার গোপালপুরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মীরা।

এর পরেই কয়েকশো বিজেপি কর্মী রমেন মন্ডলের বাড়িতে ও তার গোডাউনে হামলা চালায়।ভাঙচুর করা হয় একাধিক জিনিস।গোডাউনে থাকা একটি বান্ডিল থেকে দুটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে বিজেপি কর্মীরা।এলাকায় উত্তেজনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কাঁকসা থানার পুলিশ পৌঁছালে পুলিশকে রীতিমত বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়।

পরে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের।
বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতা রমেন মণ্ডলের বাড়িতে অস্ত্র মজুত রয়েছে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষুব্ধ জনতা বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করে।

পুলিশের উপস্থিতিতে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযোগ, সেখান থেকে উদ্ধার হয় দুটি ধারালো কাটারী। এরপরই উত্তেজিত জনতা বাড়িতে ভাঙচুর চালায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

18 + 13 =