নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: হাড়োয়া :: সোমবার ২১,সেপ্টেম্বর :: কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়ে পরিবারের লোকজনের দাবি তাকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বসিরহাটের হাড়োয়া থানার অন্তর্গত বকজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ মাজমপুর গ্রামের পূর্বপাড়ার ঘটনা ।
বধুর বাপের বাড়ি সূত্রে জানা যায় মিনাখা থানার দেউলী মালিয়াড়ি গ্রামের বাসিন্দা বছর উনিশের শরিফা খাতুন এর সঙ্গে বিবাহ হয় হাড়োয়া থানার অন্তর্গত মাজমপুর গ্রামের পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা পেশায় দিনমজুর শুকুর আলী লস্করের সঙ্গে।
বিবাহের পর থেকেই কারণে-অকারণে ওই বধুর উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন স্বামী শুকুর আলী লস্কর এমনটাই জানিয়েছেন বধূর বাপের বাড়ির লোকজন ।
বিবাহ কালে বধুর একটি পুত্র সন্তান হয় যার বয়স বর্তমান ১৮ মাস বধুর বাপের বাড়ির লোকজন জানান সন্তান হওয়ার পরেও অত্যাচারের মাত্রা একটুও কমেনি।
এমনকি মাঝেমধ্যে বলতেন পছন্দ হয়নি বেরিয়ে যা না হলে প্রাণে মেরে দেবো ঠিকমত খাওয়া পরাও দিতেন না স্বামী শুকুর আলী লস্কর তেমন ভাবেই চলতে চলতে গতকাল সন্ধ্যায় হঠাৎই বধুর বাপের বাড়ির লোকজনের কাছে খবর যায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন ।
তারপর পরিবারের লোকজন হাড়োয়া থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বধুর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে দেখা যায় তার নিথর দেহ পড়ে রয়েছে ঘরের বারান্দায় তারপর সেখান থেকে দেহটি উদ্ধার করে হাড়োয়া থানার পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
সেখানেই চিকিৎসকেরা ১৯ বছরের শরিফা খাতুন কে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে পাশাপাশি কিভাবে ওই বধুর মৃত্যু হলো? সত্যিই কি আত্মহত্যা করলেন নাকি মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে?
পাশাপাশি বধুর বাপের বাড়ির লোকজন আরো বলেন তারা হাড়োয়া থানাতে অভিযোগ দায়ের করবেন যদিও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানাতে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।
এই প্রসঙ্গে হাড়োয়ার বিজেপি নেতা পার্থ চ্যাটার্জি বলেন এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা আমি পরিবারের পাশে আছি এবং এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি ।
পাশাপাশি যদি কেউ দোষী প্রমাণিত হয় তার কঠোর শাস্তি হোক এমনটাই জানিয়েছেন বিজেপি নেতা পার্থ চ্যাটার্জী।

