নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: বসিরহাট :: সোমবার ২১,সেপ্টেম্বর :: উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড নলকড়া গ্রাম। কর বাড়ির পুজো প্রথম পুজোর প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন রাখালদাস কর ও ঠাকুরদাস কর।
ওপার বাংলাদেশ দর্শনার্থীরা আজও এই দালানকোঠায় হাজির হয়। এই প্রাচীন পুজোর অনেক পৌরাণিক কাহিনী রয়েছে। একদিকে ডাকের সাজে রুপালি গহনার প্রতিভা বংশ পরম্পরায় কুমোরটুলির শিল্পীরা আজ এখানে প্রতিমা তৈরি করে যান।
প্রাচীনকালে বাবুঘাটের গঙ্গার জল ইছামতির নৌকায় করে মাটির কলসিতে আসতো। এখন সেটা গাড়িতে আসে বছরে একবার গঙ্গার জল আসে সেটা ১২ মাস পুজিত হন।
দালানকোঠায় স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই বাড়ির সদস্য পুকুর থেকে একটি শিলা পেয়েছিলেন সেখান থেকে নারায়ণ গড়ে নারায়ণ শিলা বারোমাস দুবেলা পূজিত হন।
এক সময় এই দালানে ব্রাহ্মণ, কাঙালি ভোজন হত। এখন সেটা অতীত। কিন্তু পুজোর একাদশী থেকে দ্বাদশী পর্যন্ত সমস্ত দর্শনার্থীরা এ বাড়ির পুজোয় অংশগ্রহণ করেন সব ধরনের মানুষ এবং সেখানে প্রসাদের ব্যবস্থা থাকে আজও সেই রীতি মেনে চলে। বর্তমানে পূজো করেন তপন কর।
পুজোর কটা দিন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত এমনকি বিদেশ থেকে এখানে এসে ভিড় জমান। সিঁদুর খেলায় সব ধর্মের মানুষের এক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন গড়ে ওঠে। অন্যদিকে ঠাকুর দালান থেকে চতুর্দলায় বারো বিহারের কাঁধে করে সোজা ইছামতি নদীতে প্রতিমা বিসর্জন হয়।

