নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: নয়াদিল্লি :: রবিবার ১৯,জুলাই :: আদালতের অনুমতি না মেলায় আপাতত হাসপাতাল বদল করা যাচ্ছে না সোনমের।
তাঁর স্ত্রীর করা আবেদন খারিজ করে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বর্তমানে যে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে, সেখানকার চিকিৎসকদের দক্ষতার উপর তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
ফলে সোনমকে আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন থাকতে হবে। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনমের শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করেই তাঁর স্ত্রী উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি।
বিচারকের পর্যবেক্ষণ, চিকিৎসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের এবং আদালত সেই বিষয়ে অযথা হস্তক্ষেপ করতে চায় না। এদিকে হাসপাতাল সূত্রে খবর, ভর্তি থাকার পরও সোনম নিয়মিত খাবার খেতে অস্বীকার করছেন।
চিকিৎসকদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি পর্যাপ্ত খাবার গ্রহণ করছেন না বলে অভিযোগ। এতে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। প্রয়োজন হলে বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতিতে পুষ্টি দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
চিকিৎসকদের একাংশের মতে, শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি মানসিক চাপও তাঁর এই আচরণের অন্যতম কারণ হতে পারে। তাই চিকিৎসার পাশাপাশি তাঁর মানসিক অবস্থার দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
আদালত এদিন স্পষ্ট জানিয়েছে, চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত পদক্ষেপ হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী চলবে।
যদি ভবিষ্যতে চিকিৎসকরা মনে করেন যে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র স্থানান্তর জরুরি, সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে এই মামলাকে ঘিরে জনমনে কৌতূহল ও আলোচনার শেষ নেই। আদালতের নির্দেশের পর এখন নজর চিকিৎসকদের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং সোনমের শারীরিক অবস্থার উন্নতির দিকেই।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে।

