নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: মঙ্গলবার ৫,মে :: মঙ্গলবার কালীঘাটের বাড়ি থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন “২০০৪ সালেও এমন জিনিস দেখিনি।
১৯৭২-এর সন্ত্রাসের কথা শুনেছি, কিন্তু এই সরকার সব কিছুকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। কমিশন এখানে একটা কালো ইতিহাস তৈরি করেছে, তারাই আসল ভিলেন।”
মমতা বলেন, ‘‘এত দিন আমি চেয়ারে ছিলাম। অনেক কিছু সহ্য করেছি। কিন্তু এখন আমি মুক্ত বিহঙ্গ। সাধারণ মানুষ। আর সহ্য করব না। সব অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করব। আমি রাস্তার লোক। রাস্তায় ছিলাম, রাস্তায় থাকব।’’
এদিন কালীঘাটে বসেই মমতা অভিযোগ করেন, গণনাকেন্দ্রের ভেতরে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে বিজেপি। নিজের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “আমি ১৩ হাজার ভোটে লিড করছিলাম, ৩২ হাজারের বেশি লিড পাওয়ার কথা ছিল।
কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে ওরা সব ভেঙে দিয়েছে। এটা শুনেই আমি গেলাম। জগুবাজারের কাছে আমার গাড়ি আটকাল। বলল যেতে দেবে না। লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।”
বিজেপি ২০০-র বেশি আসনে জয়ী হলেও, পরাজয় মেনে নিতে নারাজ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কালীঘাটের বাড়ি থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এখনই ইস্তফা দেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
তাঁর পাল্টা দাবি, “আমরা হারিনি, জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে।” বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর এই দাবিতে আরও একটা শংকা মনে উঁকি দিচ্ছে এর ফলে আবার কোনো সাংবিধানিক সংকটের মুখে রাজ্যকে ফেলে দিচ্ছেনা তো মমতা বন্দোপাধ্যায়

