সুদেষ্ণা মন্ডল :: সংবাদ প্রবাহ :: বারুইপুর :: শনিবার ১১,জুলাই :: বারুইপুরে গণপিটুনিতে অটোচালক ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ নিল রাজ্য প্রশাসন।
বারুইপুরে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিহত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দেন।
একইসঙ্গে, ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের পরিবারের হাতে ২৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী । রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বারুইপুর কাণ্ডে যেভাবে ত্বরিত গতিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের সদিচ্ছাকেই তুলে ধরছে।
ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনে কি কোনো সুপরিকল্পিত গভীর ষড়যন্ত্র ছিল? মুখ্যমন্ত্রী যে ‘নাম-পরিচয় দেখে হামলা’র ইঙ্গিত দিয়েছেন, তা এখন তদন্তের মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বারুইপুরের ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশ, এই ঘটনায় জড়িত প্রতিটি অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে চরমতম শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বারুইপুরের এই থমথমে পরিবেশে নতুন পুলিশ ফাঁড়ি উদ্বোধন এবং মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া অবস্থান অপরাধীদের মনে ত্রাস সৃষ্টির করছে।
মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি অভিযোগ করেছেন, ইন্দ্রজিতের নাম-পরিচয় জেনেই তাঁকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ইন্দ্রজিতের খুনি এবং যারা এই হিংসায় উসকানি দিয়েছে, কাউকেই রেয়াত করা হবে না।
খুনি ও ধর্ষকরা এবার থেকে ভয়ের মধ্যে থাকুক।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তার পরই প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ইন্দ্রজিতের দাদাকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়ার ঘোষণাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

