নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: চন্দ্রকোনা :: বৃহস্পতিবার ১৭,সেপ্টেম্বর :: এখনো গ্রামে চার চাকার গাড়ি প্রবেশ করেনি। স্বাধীনতার পর থেকে হয়নি উন্নয়ন এমনটাই বলছেন গ্রামের মানুষজন। কখনো চার চাকার গাড়িও এই গ্রামে প্রবেশ করেনি, গ্রামের বয়স্ক মানুষ জানে না অ্যাম্বুলেন্স কি। গ্রামের একমাত্র রাস্তা চলাচলের অযোগ্য।
এমনই চিত্র পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা বিধানসভার দাসপুর ১ নম্বর ব্লকের নাড়াজোল গ্রাম পঞ্চায়েতের বাছড়াকুন্ডু গ্রামের। তবে চন্দ্রকোনার বিধায়ক সুকান্ত দোলই বলেন, ওই এলাকার সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে।
গ্রামের মানুষজন বলছেন, এই গ্রামে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তিন কিলোমিটার পথ খাটিয়ায় চাপিয়ে নিয়ে যেতে হয় প্রধান সড়কে। এই গ্রামের বহু যুবকের এখনো বিয়েই হয়নি। শুধু তাই নয় স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের খালি পায়ে যেতে হয় স্কুলে কারণ যাতায়াতের রাস্তা নেই।
ওই গ্রামে ৪৫০ টি পরিবার, ভোটার ১৪৫০। সরকার পরিবর্তন হয়েছে। ভোট আছে ভোট যায়, সরকারের পরিবর্তন হয়। নির্বাচন আসলে নেতারা প্রতিশ্রুতি দেন কিন্তু এই গ্রামে উন্নয়ন এখনো হয়নি। কাঁচা মাটির রাস্তা কোথাও বা পাঁচ ছয় মাস ধরে রাস্তায় থাকে হাটু সমান জল।
আত্মীয় বাড়ি যাতায়াত থেকে শুরু করে সকলকে হাতে জুতো নিয়ে জল পেরিয়ে ২-৩ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হয়। শুধুমাত্র শীতকাল গ্রামের মানুষের কাছে একটু হলেও আশার আলো দেখায়।
গ্রামের মানুষজন বলছেন, সরকার হয়তো জানেই না এরকম গ্রাম রয়েছে বলে। সকলেই চাইছে নতুন সরকারের আমলে হাল ফিরুক ।
গ্রামের স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে হাইস্কুলের ছেলেমেয়েরা ভর্তি হলেও শুধুমাত্র শীতকাল ছাড়া তারা স্কুলেই যেতে পারে না, বলছি স্কুল পড়ুয়ারা। গ্রামে ঢালাই রাস্তা নেই। তবে এ বিষয়ে এলাকার বিধায়ক থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ঘটনার কথা সকলেই স্বীকার করেছেন।
অনেকেই বলছেন নতুন সরকারের আমলে হাল ফিরবে রাস্তাঘাটের। চন্দ্রকোনার বিধায়ক সুকান্ত দোলুই এর ওই এলাকার উন্নয়নের আশ্বাসে আশায় আছেন গ্রামের মানুষজন।

