নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: কোচবিহার :: শনিবার ২৩,মে :: কাঁটাতারের বেড়া দিতে বাধা বাংলাদেশীদের। ফের তিনবিঘা আন্দোলনের হুশিয়ারি, আগেও রক্ত দিয়েছি আবার রক্ত দেব। তবু জিরো লাইনে কাঁটাতারের বেড়া দিবো হুশিয়ারি দিলেন মেখলিগঞ্জের তিনবিঘা করিডর সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় বাসিন্দারা।
পাশাপাশি গতকালের বিএসএফ বিজিবি-র ঝামেলার পর আজ শনিবার ঘটনাস্থলে আসেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়। তিনিও জানান জিরো লাইনেই কাঁটাতারের বেড়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর লক্ষ্য মাত্রা ৪৫ দিনের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়ার জমি অধিগ্রহণ শেষ করতে হবে। সেই মত মেখলিগঞ্জের তিনবিঘা সংলগ্ন বাংলাদেশের দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্তে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে।
অন্যান্য সীমানা থেকে একেবারেই আলাদা এই সীমানা। এখানে তিনবিঘা চুক্তি অনুযায়ী জিরো লাইন কাঁটাতারের বেড়া দিতে পারে ভারত। সেইমত ভারত জমি অধিগ্রহণ করছে জিরো লাইন থেকে ৫০ ফুট পরে পর্যন্ত।
কিন্তু বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও বিজিবি বাধা দিতে থাকে। তারা দাবি করে ১৫০ গজের বাইরে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য।
যদিও ভারতীয় সীমান্তের বাসিন্দাদের দাবি চুক্তি অনুযায়ী তিনবিঘা করিডর দিয়ে বাংলাদেশীরা ১২ ঘন্টার পরিবর্তে ২৪ ঘন্টা যাতায়াত করতে পারে। যদি বাংলাদেশ চুক্তি না মানে তবে আমরাও চুক্তি মানবো না। তিনবিঘা করিডর দিয়ে রাতে বাংলাদেশীদের যাতায়াত বন্ধ করে দেব ৷

