নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: হাওড়া :: সোমবার ৩,আগস্ট :: অবশেষে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এল হাওড়ার পিলখানা থেকে। পিলখানার ৭ নম্বর আলম মিস্ত্রি লেন এলাকার একটি বাড়ির দুটি ঘরে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল জামার ট্যাগ তৈরির কাজ। এই কারখানার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন হামিম এবং তার বাবা মইনুদ্দিন মন্ডল।
স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রায় ১১ মাসের চুক্তিতে ওই বাড়ির দুটি ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন হামিম ও তার বাবা। মাসিক ভাড়া ছিল ১১ হাজার টাকা। কারখানায় মূলত জামার ট্যাগ তৈরির কাজ হতো। হামিম ও তার বাবা ছাড়াও এখানে আরও এক মহিলা কর্মী কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে।
এলাকার বাসিন্দাদের বক্তব্য, গত ৪-৫ দিন ধরে কারখানাটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ভিতরে কোনও কাজকর্ম হচ্ছে না। আরও অবাক করার বিষয় হল, এলাকার লোকজন দু’মাস আগে শেষবার হামিমকে কারখানায় দেখেছেন। তারপর থেকে তার গতিবিধি সম্পর্কে কেউ কিছু জানেন না।
ঘটনার জেরে হঠাৎ করে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং হামিমের নিখোঁজ থাকার খবর ছড়াতেই গোটা আলম মিস্ত্রি লেন এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রতিবেশীরা বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছেন।
এই কারখানা আসলে কীসের ছিল, কেন হঠাৎ বন্ধ হল, এবং হামিম এখন কোথায় – এই সব প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই খোঁজখবর শুরু করেছে। বাড়ির মালিক এবং এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

