পেট্রাপোল থানার নতুন ভবন হস্তান্তর, দু’বছর আগে উদ্বোধন করেছিলেন অমিত শাহ – রাজনীতির প্যাঁচ কাটিয়ে চালু হল সেই থানা

নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: পেট্রাপোল :: রবিবার ২১,জুন :: পেট্রাপোলে থানার নতুন ভবন,দু’বছর আগেই উদ্বোধন করেছিলেন অমিত শাহ । সরকার বদল হতেই রাজনীতির প্যাঁচ কাটিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ ৷ দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর পেট্রাপোলের নিরাপত্তা বাড়াতে শনিবার চালু হল পেট্রাপোল থানার নতুন ভবনের।

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের নো-ম্যানস ল্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে পেট্রাপোল থানা ৷ থানায় গিয়ে বাসিন্দাদের অভাব অভিযোগ জানাতে বিএসএফের কড়া তল্লাশির মুখে পড়তে হয়৷ নিরাপত্তার কারণে কেন্দ্রীয় আঁটোসাটো নিরাপত্তা থাকে ওই এলাকায়।

ফলে গভীর রাতে কোন অভিযোগ জানাতে থানায় যেতে চান না স্থানীয়রা। গভীর রাতে থানায় গেলে কোনও পরিচিত ব্যক্তিকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে হয় ৷

ব্যস্ততার সময় আধার কার্ড কিংবা ভোটার কার্ড নিয়ে যেতে ভুলে গেলে থানার সামনে পর্যন্ত পৌঁছানো যায় না। নো-ম্যানস ল্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় থানা থাকায় বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও।

সে কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ও এলাকার ব্যবসায়ীরা পেট্রাপোল থানাকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছিলেন ৷ কেন্দ্র সরকার পদক্ষেপ করে।

ল্যান্ডপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার মাধ্যমে ২০২৪ সালে একটি আধুনিক থানার ভবন তৈরি করা হয় সি ডব্লু সি ট্রাক টার্মিনালের কাছে যশোর রোডের পাশে ৷ তার উদ্বোধনও করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

ভবনের উদ্বোধন হলেও সেখানে থানা স্থানান্তরিত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার থানার ভবনটি তৈরি করেছিল এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেই ভবনের উদ্বোধন করায় তৃণমূল পরিচালিত সরকার সেই ভবন ব্যবহার করেনি।

বিজেপির মন্ত্রীর উদ্বোধন করা ভবন ব্যবহার করেনি তৃণমূল পরিচালিত সরকার৷ রাজনৈতিক টানা পড়েনে সমস্যায় ছিলেন পেট্রোলের ব্যবসায়ী-সহ সাধারণ মানুষ ৷ সরকার বদল হতেই বাসিন্দারা নতুন থানা ব্যবহারের আবেদন জানানোর পরই দ্রুত পদক্ষেপ নিল বিজেপি সরকার ৷

শনিবার সকালে ওই থানার নতুন ভবন হস্তান্তর হল পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার উপস্থিতিতে। খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া বলেন, “আমি এবং জেলার পুলিশ সুপার ভবনটি আগেই গিয়ে দেখে এসেছিলাম ৷

আজ ওই ভাবনেই থানার কাজ চালু হয়ে গেল।” ‘‘খাদ্যন্ত্রী আরও বলেন , এই এলাকায় থানার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আমরা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

3 × five =