নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: বিষ্ণুপুর :: রবিবার ১৯,এপ্রিল :: বিষ্ণুপুরের নির্বাচনী জনসভা থেকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে মোদি বলেন, “সব সিন্ডিকেট এবং গুন্ডাদের শেষবারের মতো বলছি, ২৯ এপ্রিলের আগে নিজের নিজের থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করুন।
আরও ভালো হয় যদি ২৩ তারিখের মধ্যে করেন। কারণ, ৪ মে-র পর (ভোট গণনার পর) কাউকে রেয়াত করা হবে না।” তাঁর দাবি, বিজেপির সরকার এলে অপরাধীদের কোনো জায়গা হবে না।
বিষ্ণুপুরের এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই মারমুখী মেজাজ এবং পুলিশি পদক্ষেপের আগামবার্তা বাংলার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
তৃণমূলের দাপটকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলার বাঘ কে? বাংলার জনতাই হলো আসল বাঘ। এই জনতা এখন ফুঁসছে, তারা আর এই নির্মম সরকারকে সহ্য করবে না।”
বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া যে নিশ্চিত, তা দাবি করে তিনি বলেন, মানুষের এই উপচে পড়া ভিড়ই প্রমাণ করছে তারা এখন বদল চাইছে।
বিষ্ণুপুরের সভা থেকে বিশেষ করে কয়লা পাচারকারী ও মাফিয়াদের নাম করে মোদি বলেন, “কয়লা পাচারকারী ও সিন্ডিকেট রাজ কান খুলে শুনে নিন, এসব আর চলবে না। বিজেপির ভরসার শাসন আসছে।”
রবিবার বিষ্ণুপুরের মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন করলে বাংলার মহিলারা বছরে ৩৬ হাজার টাকা করে পাবেন। পাশাপাশি গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ২১ হাজার টাকা এবং সন্তান জন্মের পর ৫০০০ টাকা কেন্দ্রীয় সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী এদিন ঘোষণা করেন, মেয়েদের উচ্চশিক্ষার জন্য সরাসরি ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।
এছাড়াও ‘লাখপতি দিদি’ যোজনার মাধ্যমে মহিলাদের স্বনির্ভর করা এবং ব্যবসার জন্য ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণের ব্যবস্থার কথা বলেন তিনি। তাঁর দাবি, কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত মহিলারাও বিশেষ সরকারি সুবিধা পাবেন।
এখন দেখার এই সব প্রতিশ্রুতি এ রাজ্যের ভোট বাক্সে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে ।

