জাকির আলী :: সংবাদ প্রবাহ :: কলকাতা :: বৃহস্পতিবার ২৩,জুলাই :: বুধবার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেট বিতর্কের সময় বিধায়ক আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখার সময় তাঁর আসনের সামনে গিয়ে নিজের নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন কুণাল।
স্পিকারের বারবার সতর্কবার্তা এবং নিজ আসনে ফেরার নির্দেশ অগ্রাহ্য করায় বাধ্য হয়ে মার্শাল ডাকেন স্পিকার। মার্শালদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির জেরে মেঝেতে পড়ে যান কুণাল এবং শেষ পর্যন্ত তাঁকে পাঁজাকোলা করে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। বুধবার এই ঘটনার প্রতিবাদে ওয়াকআউট করেছিল তৃণমূল।
এরই জেরে বৃহস্পতিবারের এই অনভিপ্রেত উত্তেজনায় রাজ্য বিধান সভায় শোরগোল পড়ে যায় । বৃহস্পতিবার অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই প্রবীণ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় হাত তুলে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। স্পিকার কর্তৃক বুধবারের ঘটনাকে ‘কলঙ্কজনক’ বলা নিয়েই মূলত আপত্তি জানায় তৃণমূল শিবির।
স্পিকার রথীন্দ্র বসু সাফ জানিয়ে দেন, আগের দিনের ঘটনা নিয়ে নতুন করে কোনো বিতর্ক বা আলোচনা চলবে না। এর পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি সরাসরি স্পিকারকে প্রশ্ন করেন, “আমি ৯০ সাল থেকে রিপোর্টার হিসেবে এই হাউজে আসছি, আপনি কেন এটাকে কলঙ্কজনক বললেন?”
পালটা কড়া সুরে স্পিকার তাঁকে মনে করিয়ে দেন, বারবার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও তিনি কেন স্পিকারের কথা অমান্য করে ওয়েলে নেমে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়েছিলেন। যদিও ধাক্কাধাক্কির অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেন কুণাল।
তীব্র বাক্য বিনিময় শুরু হলে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। শেষ পর্যন্ত ফিরহাদ হাকিম কুণালকে বুঝিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান এবং মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ বিজেপি বিধায়কদের শান্ত করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। মুলতুবি ছাড়াই পুনরায় অধিবেশন শুরু হয়।

