নিজস্ব সংবাদদাতা :: সংবাদ প্রবাহ :: নিউ টাউন :: শুক্রবার ১৭,এপ্রিল ::
প্রশ্ন ১) বাহিনীর সঙ্গে সাঁজোয়া গাড়ি কেন? তৃণমূল বলছে, এমন ভাব করছে যেন বাংলা দখল নিতে আসছে।
দিলীপ ঘোষ — যেমন বাংলাদেশ কে আমরা দখল করেছিলাম তেমন মমতা ব্যানার্জির তৈরি করা বাংলাদেশ কে দখল মুক্ত করতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাজ্যকে বাংলাদেশ বানিয়ে ফেলেছে। তার কথাবার্তায় বোঝা যায় বাংলা আর ভারতে নেই। বাংলাদেশে চলে গেছে।
সেইজন্যই দখল তো করতেই হবে। গুণ্ডা বদমাশ পুলিশ সব এক হয়ে দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে। দেশ তো এবার তার শক্তি প্রয়োগ করবে। নিজ ভূমি দখল করার জন্য। সেন্ট্রাল ফোর্স দেশ বিরোধী শক্তিকে ঠান্ডা করে দেবে
প্রশ্ন ২) – সরজিস আলম তার বাবাকে নিয়ে ভারতে চিকিৎসা করাতে এসেছেন
দিলীপ ঘোষ — তৃণমূল এনেছে। তৃণমূলের ভাষায় ওরাও কথা বলে। তৃণমূল কি তার ভারতে আসার বিরোধিতা করেছে? ভারতের বিদেশ নীতি অনুয়ায়ী কাজ চলে। তৃণমূল তো বরাবর ভারতের বিরোধিতা করে চলেছে। তাহলে তৃণমূলের সমস্ত নেতা মন্ত্রীকে জেলে ঢোকানো হোক।
বাংলাদেশ আর বাংলার মধ্যে তৃণমূল কোনো পার্থক্য রাখেনি। ওদের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে আমরা মানবাধিকার গ্রাউন্ড ভারতে জায়গা দিয়েছি। সারা দুনিয়ার লোককে আমরা জায়গা দিয়েছি।
প্রশ্ন ৩) নববর্ষে বিজেপি প্রার্থী দের নিজেদের বাঙালি প্রমাণের মরিয়া চেষ্টা কেন?
দিলীপ ঘোষ — কেউ কেউ প্রভাবিত হয়ে যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়। আমাদের নতুন নেতারা মনে করছেন তাদের নিজেদের বাঙালি প্রমাণ করতে হবে। আমাদের বাঙালি কিনা প্রমাণ করতে হয়না। ওদের প্রমাণ করতে হবে যারা ইউসুফ পাঠানকে এখানে এনে জেতায়।
আমরা তো বাঙালি আছি। মাছ ভাত খাই। বাঙালিকে আমরা মাছে ভাতেই রাখব। এখনকার ধানের চাল খাবো। এখনকার মাছ খাবো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধান চাষিদের শেষ করে দিয়েছেন। মাছ চাষিদের শেষ করেছেন। অন্ধ্র থেকে মাছ আনতে হয়।
প্রশ্ন ৪) নির্মল গ্রেফতার
দিলীপ ঘোষ — অনেক নির্মল পরিমল সব ভিতরে যাবে। ভয় দেখিয়ে হুমকি ধমকি দিয়ে এইভাবে আর চলবে না। বস্তির ভোট এদিক ওদিক করা যাবে না। টাকা দিয়ে ভয় দেখিয়ে। সবার কপালে দুঃখ আছে।

